• u. Aug ৫, ২০২১

আমিওপারি ডট কম

ইতালি,ইউরোপের ভিসা,ইম্মিগ্রেসন,স্টুডেন্ট ভিসা,ইউরোপে উচ্চ শিক্ষা

স্বপ্নের বিদেশ যাত্রা: পথে পথে গ্রেপ্তার, মৃত্যু, হয়রানি !

ByLesar

Nov 26, 2013

প্যারিস বাঙ্গালীঃ কর্মসংস্থানের আশায় ভিটেমাটি বিক্রি করে মানুষ বিদেশ ছুটছে চাকরির খোঁজে। আর এই বিদেশ গমনেচ্ছু সহজ মানুষ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রতারণার শিকার হচ্ছে। সরকারি হিসাবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে সাড়ে পাঁচ হাজার বাংলাদেশী কারাগারে আছেন। প্রতিবছর মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্য; রোমানিয়া, ইতালি, গ্রিসসহ ইউরোপ; দক্ষিণ আফ্রিকা, মালদ্বীপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে লোক পাঠাচ্ছে দালালরা।
বাংলাদেশের অন্যতম শ্রমবাজার মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশীদের বৈধ করা হচ্ছে। এ সুযোগে মালয়েশিয়ায় ছাত্র ও পর্যটক সাজিয়ে শ্রমিক পাঠানো শুরু করেছে দালালেরা। এ প্রবণতা ঠেকাতে না পারলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইরাকের বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে ৪০ হাজারের মতো বাংলাদেশি আছেন। অথচ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বলছে, ইরাক যুদ্ধের পর বৈধভাবে দেশটিতে গেছেন মাত্র দুই হাজার ৮৮৭ জন বাংলাদেশী। তার মানে বাকি প্রায় ৩৮ হাজার লোক দালালদের মাধ্যমে অবৈধপথে ইরাকে গেছেন। অবৈধভাবে লোক যাচ্ছেন সৌদি আরবেও। ওমরাহ হজের ভিসা নিয়ে গিয়ে প্রতিবছর অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার লোক সৌদি আরবে থেকে যান। তাঁরা পরে অবৈধ হয়ে পড়েন। এই অবৈধ ইস্যুতে বহুদিন ধরে সেখানকার শ্রমবাজারে অচলাবস্থা চলছিল। প্রতিবছর হাজারো লোক ইউরোপে যাওয়ার নামে প্রতারিত হচ্ছে।
সাত থেকে আট লাখ টাকা নিয়ে দালালেরা ইউরোপের যেকোনো দেশে পাঠাচ্ছে নিরীহ নাগরিকদের। কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর বাংলাদেশ থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে লোক পাঠানো শুরু করে লিবিয়ায়। দালাল চক্র মিসর, সুদান, নাইজার, শাদ ও আলজেরিয়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী নাগরিকদের লিবিয়ায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করাচ্ছে। এর ফলে শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সরকারি হিসাবে বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে কাজ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো কর্মী মালদ্বীপে যাননি। অথচ দেশটিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার বাংলাদেশী আছেন। দালালেরা সম্প্রতি কর্মী নিচ্ছে নেপালে। এরপর সেখান থেকে মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হচ্ছে।দালালদের দৌরাত্য ঠেকাতে না পারলে বিশ্বে বাংলাদেশ তাদের শ্রমবাজার হারাবে। বন্ধ হয়ে যাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

রেমিঠ্যান্স বাংলাদেশ অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।সৎ ও দায়িত্বশীল জনশক্তি রপ্তানিকারকদের উচিত এই অশুভ শক্তিকে রুখে দিতে সম্মিলিতভাবে দাঁড়ানো। সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বিদ্যমান নেতিবাচক চিত্রের অবসানকল্পের পাশাপাশি প্রবাসী শ্রমিকদের পাশে অবিলম্বে দাঁড়ানো। সব কিছু খতিয়ে দেখে সরকারের করণীয়গুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারলেই মঙ্গল। দেশের অভ্যন্তরেও কর্মসংস্থানের বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে কালক্ষেপণ না করে। পথ আছে অনেক, চাই শুধু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সৎ চিন্তা।

[[ আপনি জানেন কি? আমাদের সাইটে আপনিও পারবেন আপনার নিজের লেখা জমা দেওয়ার মাধ্যমে আপনার বা আপনার এলাকার খবর তুলে ধরতে এই লেখায় ক্লিক করে জানুন এবং  তুলে ধরুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান। আর আমাদের ফেসবুক ফ্যানপেজে রয়েছে অনেক মজার মজার সব ভিডিও সহ আরো অনেক মজার মজার টিপস তাই এগুলো থেকে বঞ্চিত হতে না চাইলে এক্ষনি আমাদের ফেসবুক ফ্যানপেজে লাইক দিয়ে আসুন। এবং আপনি এখন থেকে প্রবাস জীবনে আমাদের সাইটের মাধ্যমে আপনার যেকোনো বেক্তিগত জিনিসের ক্রয়/বিক্রয় সহ সকল ধরনের বিজ্ঞাপন ফ্রিতে দিতে পাড়বেন। ]]

*****লেখাটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ!*****

Lesar

আমিওপারি নিয়ে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত একজন সাধারণ মানুষ। যদি কোন বিশেষ প্রয়োজন হয় তাহলে আমাকে ফেসবুকে পাবেন এই লিঙ্কে https://www.facebook.com/lesar.hm

One thought on “স্বপ্নের বিদেশ যাত্রা: পথে পথে গ্রেপ্তার, মৃত্যু, হয়রানি !”
  1. dalal jodi na thakto tahola amra italy ke vaba asdtam.r bises kora amra italy jara 10bosor aga asese,tara sobai by potha dalalar maddoma asase.tai dalal jodi na thakto tahola amra europe asta partamna.ajkar europe ar j ramitents probaho ame mona kori a dalal dar jonnoi hoyasa…………..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *